মঙ্গলবার , ২০ অক্টোবর ২০২৬
 মঙ্গলবার , ২০ অক্টোবর ২০২৬
সাম্প্রতিক
অনলাইন সাংবাদিকদের সত্যনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন গুরুত্বপূর্ণ, বললেন মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ★ জয়পুরহাটে ল্যাপটপ বিতরণ ও সার ডিলারশিপ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ, বিএনপি নেতার পোস্টে আলোচনা ★ সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের চেষ্টা হয়েছে বিভিন্ন সময়ে, মন্তব্য প্রধানমন্ত্রীর ★ সিলেট তামাবিল মহাসড়কে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ তিন জনের প্রাণহানি আহত অন্তত দশ ★ বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি ৪.৭ শতাংশে ওঠার পূর্বাভাস আইএমএফের, কমছে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ★ আমিরাতে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনা, ট্যাক্সি ও ট্রাক চালক নিয়োগ নিয়ে আলোচনা ★ টিকটকে সরাসরি কেনাকাটার নতুন সুবিধা, যুক্ত হচ্ছে এআই সহকারী ★ দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিএনপির দুই নেতার পদ স্থগিত ★ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় দুই বাংলাদেশিসহ নিহত ১২, আহত ৩০৯ ★ পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, ভোট শুরু ২১ জানুয়ারি ★ ছাতকে আওয়ামীলীগ নেতার বাড়ির বাঁশঝাড় থেকে বিদেশি রিভলবার উদ্ধার ★ ঘুষ গ্রহণের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় চাঁদপুরে ভূমি অফিসের কর্মচারী সাময়িক বরখাস্ত ★ ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু সোমবার, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রচারণার নির্দেশ ★ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহত, প্রতিবাদ জানাল ঢাকা ★ রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে অগ্রগতি, পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরুর অপেক্ষা ★ শপথের পর সরকারি অর্থে দুর্নীতি করেননি, দাবি সংসদ সদস্য আমির হামজার ★ রাংপানি নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান জৈন্তাপুরে ১৫টি বারকি নৌকা জব্দ করে বিনষ্ট ★ ডিজিটাল কারসাজির মাধ্যমে জনপ্রতিনিধির ছবি বিকৃত করে ফেসবুকে ছড়ানোর অভিযোগ সিলেটের জৈন্তাপুরে ★ গোয়াইনঘাটে দায়িত্বের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ওসি মো. ওমর ফারুক মোড়ল ★ দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হওয়ায় কেএম লিমন'কে গোয়াইনঘাট অনলাইন প্রেসক্লাবের শুভেচ্ছা ★ নিজপাট ইউপি’র ঘটনা নিয়ে ইন্তিয়াজ আলী চেয়ারম্যানের বক্তব্য-প্রকৃত তথ্য যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান ★ জৈন্তাপুরে মহাসড়কের পাশে ৬০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ★ জৈন্তাপুরে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযানে পুলিশের ধারাবাহিক সাফল্য ★ জৈন্তাপুরে মাদক-চোরাচালানে কঠোর হওয়ার নির্দেশ, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত ★ জৈন্তাপুরে গভীর রাতে সারী-২ নদীতে অভিযান, বালু উত্তোলনের বোমা মেশিন জব্দ ★
হোম › আন্তর্জাতিক › ইরানের আবাসিক এলাকায় ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: শিশু ও অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ নিহত ১৩

ইরানের আবাসিক এলাকায় ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: শিশু ও অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ নিহত ১৩

আইকন
হেলাল আহমদ
২৮ মার্চ ২০২৬, ০৫:২৪ অপরাহ্ন
ইরানের আবাসিক এলাকায় ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: শিশু ও অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ নিহত ১৩

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্মিলিত সামরিক অভিযান ২৮তম দিনে গড়িয়েছে এবং এই দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের ভয়াবহতা এখন সরাসরি বেসামরিক জনপদে আছড়ে পড়ছে। শনিবার (২৮ মার্চ) ভোরে ইরানের কেরমানশাহ প্রদেশের একটি আবাসিক এলাকায় মার্কিন-ইসরায়েলি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১৩ জন নিরপরাধ মানুষের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা মেহর নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে জানানো হয় যে নিহতদের মধ্যে দুই শিশু এবং চারজন নারী রয়েছেন। এই নারীদের মধ্যে একজন অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে যা এই হামলার নিষ্ঠুরতাকে আরও প্রকট করে তুলেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও অনেকে আটকা পড়ে থাকায় নিহতের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

একই সময়ে ইরানের ফিরোজাবাদ শহরেও আরেকটি ভয়াবহ হামলার খবর পাওয়া গেছে। আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ (ISNA) জানিয়েছে যে ফিরোজাবাদের একটি সিমেন্ট কারখানাকে লক্ষ্য করে মার্কিন-ইসরায়েলি জোট হামলা চালালে সেখানে অন্তত দুইজন নিহত এবং আরও দুইজন গুরুতর আহত হন। ইরানের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধের সকল আন্তর্জাতিক নীতিমালা ও জেনেভা কনভেনশন লঙ্ঘন করে সুপরিকল্পিতভাবে বেসামরিক ভবন ও শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে। আবাসিক এলাকায় এই ধরনের হামলাকে 'যুদ্ধাপরাধ' হিসেবে অভিহিত করে তেহরান বিশ্ববিবেকের কাছে এর বিচার দাবি করেছে।

কেরমানশাহ ও ফিরোজাবাদের এই ঘটনাগুলো বর্তমান সংঘাতের এক নতুন ও বিপদজনক মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে। কেবল সামরিক ঘাঁটি নয় বরং সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি ও কাজের জায়গা এখন যুদ্ধের মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে আহতদের ভিড় বাড়ছে এবং উদ্ধারকর্মীরা সীমিত সরঞ্জামের মধ্যে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলো এই ক্রমবর্ধমান মানবিক বিপর্যয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং অবিলম্বে বেসামরিক এলাকায় হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। তবে সংঘাতের তীব্রতা কমার কোনো লক্ষণ না থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা ছড়িয়ে পড়েছে।

বারুদের গন্ধে ভারী হয়ে আসা বাতাসে যখন একটি শিশুর কান্নার সুর স্তব্ধ হয়ে যায় তখন তা সভ্যতার এক চরম পরাজয় হিসেবেই গণ্য হয়। যুদ্ধের দামামা যখন মায়ের কোল খালি করে এবং অনাগত প্রাণের অধিকার কেড়ে নেয় তখন কোনো বিজয়ই আর সার্থক থাকে না। আমরা এমন এক আগামীর প্রত্যাশা করি যেখানে প্রতিটি আকাশ হবে ক্ষেপণাস্ত্রমুক্ত এবং প্রতিটি আবাসিক এলাকা হবে কেবল শান্তির নিরাপদ নিবাস। অন্ধকারের সকল প্রতিহিংসা আর নিষ্ঠুরতা মুছে গিয়ে মানবিকতার আলোয় আলোকিত হোক প্রতিটি সীমান্ত এবং প্রতিটি মানুষ ফিরে পাক তার আপন নীড়ে নির্ভয়ে থাকার নিশ্চয়তা। সাহসের সাথে এই পাশবিকতাকে জয় করেই আমাদের গড়ে তুলতে হবে এক যুদ্ধমুক্ত ও ন্যায়বিচারপূর্ণ বিশ্ব।

আরও খবর
রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় দুই বাংলাদেশিসহ নিহত ১২, আহত ৩০৯
রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় দুই বাংলাদেশিসহ নিহত ১২, আহত ৩০৯
রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহত, প্রতিবাদ জানাল ঢাকা
রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহত, প্রতিবাদ জানাল ঢাকা
ভারতে ই ২০ পেট্রোল চালুর সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবন অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিয়েছেন দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও আম আদমি পার্টির জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল।
ভারতে ই ২০ পেট্রোল চালুর সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবন অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দিয়েছেন দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও আম আদমি পার্টির জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল।
ভারতের চিকিৎসা শিক্ষা সংক্রান্ত প্রবেশিকা পরীক্ষা নিয়ে চলমান জটিলতার মধ্যে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তীব্র সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী
ভারতের চিকিৎসা শিক্ষা সংক্রান্ত প্রবেশিকা পরীক্ষা নিয়ে চলমান জটিলতার মধ্যে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তীব্র সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী
নিহত সেনাসদস্যদের স্মরণে ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে বিধ্বংসী সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা মার্কিন প্রেসিডেন্টের
নিহত সেনাসদস্যদের স্মরণে ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে বিধ্বংসী সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা মার্কিন প্রেসিডেন্টের
ইউরোপে ভয়াবহ তাপপ্রবাহে অতিরিক্ত মৃত্যু ১০ হাজার ছাড়িয়েছে, সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে প্রবীণরা
ইউরোপে ভয়াবহ তাপপ্রবাহে অতিরিক্ত মৃত্যু ১০ হাজার ছাড়িয়েছে, সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে প্রবীণরা
ইরান ইস্যুতে মিত্রদের ধৈর্যচ্যুতি এবং বৈশ্বিক রাজনীতিতে ওয়াশিংটনের একাকীত্ব
ইরান ইস্যুতে মিত্রদের ধৈর্যচ্যুতি এবং বৈশ্বিক রাজনীতিতে ওয়াশিংটনের একাকীত্ব
জ্বালানির চড়া মূল্যে সংকটে ভারতের বিমান খাত এবং কার্যক্রম বন্ধের আশঙ্কা
জ্বালানির চড়া মূল্যে সংকটে ভারতের বিমান খাত এবং কার্যক্রম বন্ধের আশঙ্কা