রবিবার , ১৮ অক্টোবর ২০২৬
 রবিবার , ১৮ অক্টোবর ২০২৬
সাম্প্রতিক
সিলেট তামাবিল মহাসড়কে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ তিন জনের প্রাণহানি আহত অন্তত দশ ★ বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি ৪.৭ শতাংশে ওঠার পূর্বাভাস আইএমএফের, কমছে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ★ আমিরাতে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন সম্ভাবনা, ট্যাক্সি ও ট্রাক চালক নিয়োগ নিয়ে আলোচনা ★ টিকটকে সরাসরি কেনাকাটার নতুন সুবিধা, যুক্ত হচ্ছে এআই সহকারী ★ দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিএনপির দুই নেতার পদ স্থগিত ★ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় দুই বাংলাদেশিসহ নিহত ১২, আহত ৩০৯ ★ পাঁচ ধাপে ইউপি নির্বাচন, ভোট শুরু ২১ জানুয়ারি ★ ছাতকে আওয়ামীলীগ নেতার বাড়ির বাঁশঝাড় থেকে বিদেশি রিভলবার উদ্ধার ★ ঘুষ গ্রহণের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় চাঁদপুরে ভূমি অফিসের কর্মচারী সাময়িক বরখাস্ত ★ ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু সোমবার, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রচারণার নির্দেশ ★ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহত, প্রতিবাদ জানাল ঢাকা ★ রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে অগ্রগতি, পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরুর অপেক্ষা ★ শপথের পর সরকারি অর্থে দুর্নীতি করেননি, দাবি সংসদ সদস্য আমির হামজার ★ রাংপানি নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান জৈন্তাপুরে ১৫টি বারকি নৌকা জব্দ করে বিনষ্ট ★ ডিজিটাল কারসাজির মাধ্যমে জনপ্রতিনিধির ছবি বিকৃত করে ফেসবুকে ছড়ানোর অভিযোগ সিলেটের জৈন্তাপুরে ★ গোয়াইনঘাটে দায়িত্বের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ওসি মো. ওমর ফারুক মোড়ল ★ দ্বিতীয় মেয়াদে প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হওয়ায় কেএম লিমন'কে গোয়াইনঘাট অনলাইন প্রেসক্লাবের শুভেচ্ছা ★ নিজপাট ইউপি’র ঘটনা নিয়ে ইন্তিয়াজ আলী চেয়ারম্যানের বক্তব্য-প্রকৃত তথ্য যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান ★ জৈন্তাপুরে মহাসড়কের পাশে ৬০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ★ জৈন্তাপুরে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযানে পুলিশের ধারাবাহিক সাফল্য ★ জৈন্তাপুরে মাদক-চোরাচালানে কঠোর হওয়ার নির্দেশ, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত ★ জৈন্তাপুরে গভীর রাতে সারী-২ নদীতে অভিযান, বালু উত্তোলনের বোমা মেশিন জব্দ ★ বিশ্বনাথের অলংকারী ইউপি নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সুমন মিয়া ★ দ্রুতই জৈন্তাপুর কে পৌরসভা ঘোষণার করা হবে, শিক্ষকসংকটসহ ডিসেম্বরে দৃশ্যমান উন্নয়ন কাজের অগ্রগতি দেখা যাবে ★ বিদেশে পাঠানোর পর নির্যাতন ও জিম্মির অভিযোগ, জৈন্তাপুরে একাধিক ভুক্তভোগীর অভিযোগ ★
হোম › ধর্ম › লাইলাতুল কদরের মহিমা ও ইবাদতের সঠিক পন্থা

লাইলাতুল কদরের মহিমা ও ইবাদতের সঠিক পন্থা

আইকন
হেলাল আহমদ
১৭ মার্চ ২০২৬, ০১:২২ পূর্বাহ্ন
লাইলাতুল কদরের মহিমা ও ইবাদতের সঠিক পন্থা

ইসলামী বিশ্বাস ও দর্শনে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ এবং বরকতময় একটি অধ্যায় হলো লাইলাতুল কদর। পবিত্র রমজান মাসের শেষ দশকের যেকোনো বেজোড় রাতে মহিমান্বিত এই রজনীর আগমন ঘটে যা মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে। ফারসি ভাষায় শবে কদর হিসেবে পরিচিত এই রাতের প্রতিটি মুহূর্ত মহান আল্লাহর বিশেষ রহমত ও মাগফিরাতে পরিপূর্ণ থাকে। মূলত এই রজনীতেই মানবতার মুক্তির সনদ পবিত্র কোরআন লোহে মাহফুজ থেকে দুনিয়ার আকাশে অবতীর্ণ হয়েছিল এবং মহান আল্লাহ এই রাতেই মানবজাতির পরবর্তী এক বছরের ভাগ্য পুনর্নির্ধারণ করেন।

শবে কদরের ইবাদতের জন্য নির্দিষ্ট কোনো ধরাবাঁধা নিয়ম বা রাকাআত সংখ্যা নেই বরং এটি সম্পূর্ণভাবে নফল ইবাদতের একটি বিশেষ সুযোগ। একজন মুমিন মুসলমান দুই রাকাআত করে নফল নামাজ যতটা গভীর মনোযোগ ও একাগ্রতার সাথে সম্ভব আদায় করতে পারেন। প্রচলিত ধারণায় কোনো বিশেষ সুরা পড়ার বাধ্যবাধকতা না থাকলেও দীর্ঘ সময় ধরে কিরাত পাঠ ও লম্বা সেজদা করা ইবাদতের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। নামাজের পাশাপাশি এই মহিমান্বিত রাতে বেশি বেশি পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করা এবং জিকির ও ইস্তেগফারের মাধ্যমে নিজের কৃতকর্মের জন্য আল্লাহর দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করা প্রত্যেক বিশ্বাসী হৃদয়ের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত।

রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই মর্যাদাপূর্ণ রাতে একটি বিশেষ দোয়া পড়ার জন্য উম্মতদের উৎসাহিত করেছেন। মহান আল্লাহর গুণগান গেয়ে এই দোয়ায় প্রার্থনা করা হয় যেন তিনি পরম দয়ালু ও ক্ষমাশীল হিসেবে আমাদের সকল অপরাধ মার্জনা করেন। রমজানের এই পবিত্র সময়গুলোতে দুনিয়াবি সকল ব্যস্ততা ভুলে স্রষ্টার সান্নিধ্যে নিজেকে বিলীন করে দেওয়ার মধ্যেই প্রকৃত সার্থকতা নিহিত। আত্মশুদ্ধি ও আধ্যাত্মিক উন্নতির এই লগ্নে প্রতিটি মানুষের উচিত হিংসা ও বিদ্বেষ ভুলে মানবিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত হওয়া এবং আর্তমানবতার কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত করা।

জীবনের দীর্ঘ পথ চলায় আমরা যখন ভুলের চোরাবালিতে দিশেহারা হয়ে পড়ি তখন এই পবিত্র রজনী আমাদের সামনে আলোকবর্তিকা হয়ে হাজির হয়। এটি কেবল একটি রাত নয় বরং পাপাচারের অন্ধকার থেকে নিষ্কলুষ আলোর পথে ফেরার এক সুবর্ণ সুযোগ। আমরা এমন এক আগামীর প্রত্যাশা করি যেখানে প্রতিটি হৃদয়ে আল্লাহর ভয় ও সৃষ্টির প্রতি ভালোবাসা জাগ্রত হবে এবং আত্মিক প্রশান্তির মাধ্যমে সমাজ থেকে দূর হবে সকল অন্যায় ও অবিচার। অন্ধকারের বিষণ্ণতা মুছে গিয়ে রহমতের নূরে আলোকিত হোক প্রতিটি জনপদ এবং প্রতিটি মানুষ ফিরে পাক তার হারানো নৈতিকতা ও অনাবিল শান্তি। সাহসের সাথে কুপ্রবৃত্তিকে জয় করেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে এক চিরস্থায়ী মুক্তির পথে।